২০২৬ মৌসুম সামার ব্রেকে ঢুকেছে, কিন্তু পডিয়ামে ফিরেও ফেরস্টাপেন শিথিল নন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, রেড বুলের দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম কাজ কেবল গাড়ির সামগ্রিক গতি বাড়ানো নয়—রেস উইকেন্ডের অস্থির পারফরম্যান্স সমাধান করা; নইলে দল সত্যিই শিরোপা লড়াইয়ে ফিরতে পারবে না।

images/01.webp

হাঙ্গেরিয়ান গ্র্যান্ড প্রিক্সের আগে বেলজিয়ান স্ট্যান্ডে ফেরস্টাপেন এ মৌসুমের চতুর্থ পডিয়াম পান। মৌসুম শুরুর সংগ্রামের তুলনায় এটা স্পষ্ট অগ্রগতি, কিন্তু রাসেলের সঙ্গে এখনও ৫৪ সেকেন্ডের ব্যবধান—রেড বুল এখনও প্রকৃত জয়ের গতি থেকে দূরে। বর্তমানে তিনি ড্রাইভার্স স্ট্যান্ডিংয়ে মাত্র ষষ্ঠ।

সামার ব্রেকের পরের লক্ষ্য নিয়ে ফেরস্টাপেন সোজাসুজি বলেন: “আমাদের নিজেদের সমস্যাও সমাধান করতে হবে। কখনো কখনো এক রেস উইকেন্ডেই হঠাৎ গতি হারিয়ে ফেলি; এমনকি রেস শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গাড়ির পারফরম্যান্সও নেমে যায়। এটাও এখন দলের খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ।”

মৌসুমের প্রথমার্ধকে ফেরস্টাপেন কঠিন বলে বর্ণনা করেন। মাঝে মাঝে চোখে পড়ার মতো পারফরম্যান্স এলেও সামগ্রিক স্থিতিশীলতা ছিল না। তিনি চান রেড বুল প্রত্যেক রেস উইকেন্ডকে আরও সহজ ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য করুক, সঙ্গে গাড়ির বেস স্পিডও আরও বাড়াক।

সমস্যা হলো, RB22-এর উন্নয়নের জন্য রেড বুলের সময় ক্রমে সীমিত হয়ে আসছে। টিম প্রিন্সিপাল মেকিস জানিয়েছেন, ২০২৭ নতুন নিয়ম যতই কাছাকাছি আসছে, এ বছরের গাড়ি ও পরের বছরের গাড়ির মধ্যে ডেভেলপমেন্ট রিসোর্স ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত তাড়াতাড়ি নিতে হবে। মেকিস বলেন, মৌসুম উদ্বোধন থেকে হাঙ্গেরিয়ান স্ট্যান্ড পর্যন্ত রেড বুল RB22-এ প্রচুর আপগ্রেড দিয়েছে—গাড়ির প্রাথমিক স্পষ্ট ব্যবধান দ্রুত মেটাতে। কিন্তু এমন তীব্র উন্নয়ন ছন্দ চিরকাল চালিয়ে যাওয়া কঠিন।

ঠিকানা, শর্ত, রসিদ ও দায়িত্বশীল সীমা যাচাই করে এগোনো ভালো।